সরকার আর বিজিএমই-এর পক্ষ থেকে পোশাক শ্রমিকদের না আসার কথা বলা হচ্ছে কিন্তু সেই আহবান উপেক্ষা করে কর্মস্থলে যোগ দিতে সড়ক ও নৌরুট দিয়ে ঢাকায় আসছেন। চ্যানেল২৪ ও ডিবিসি টিভি
পোশাক শ্রমিক বলছেন, শ্রমিকরা বলছেন, মালিকপক্ষ ও বিজিএমইএ’র মধ্যে সমন্বয়হীনতার কারণে নানা ধরনের হয়রানির স্বীকার হতে হচ্ছে তাদের। এছাড়া বাসাভাড়ার জন্য বাড়িওয়ালাদের চাপে বাধ্য হয়েই তাদের আসতে হচ্ছে।
এদিকে করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে দেশজুড়ে লকডাউন থাকলেও কর্ম বাঁচাতে যাত্রী ভ্যান, মোটরসাইকেলসহ বিকল্প যানে ফিরছেন সবাই। এতে কাঁঠালবাড়ি-শিমুলিয়া ও দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌঘাটে বেড়েছে শ্রমজীবী মানুষের ঢল। দুটি ঘাটে সীমিত ফেরী চলাচল করছে। যেগুলো চলছে সেখানে উপচে পড়া ভিড়। অনেককেই ঝুঁকি নিয়ে ট্রলারে নদী পার হচ্ছে।
গতকাল পোশাক শিল্পের করণীয় ঠিক করতে আবারো মালিক ও শ্রমিকপক্ষের সঙ্গে বৈঠক করছেন শ্রম প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান। বৈঠক শেষে শ্রম প্রতিমন্ত্রী বলেছেন পোশাক শ্রমিকরা বাড়িতে থাকলে বেতনের ৬০ ভাগ দেয়া হবে। সময় টিভি
এদিকে ঈদুল ফিতর উপলক্ষে রাজধানীর ব্র্যান্ডশপ, বিপনি-বিতান ও সব ধরনের মার্কেট খুলতে প্রস্তুত ব্যবসায়ীরা। সরকারি ঘোষণা এলেই তারা স্বাস্থ্য নিরাপত্তা মেনে ব্যবসা শুরু করতে চান। বাংলানিউজ
ব্যবসায়ীরা জানান, করোনার কারণে প্রায় দেড় মাস তাদের ব্যবসা বাণিজ্য বন্ধ থাকলেও ঈদের বাজার ধরতে সব দিক থেকে তারা প্রস্তুত। কারণ প্রতিবছর রমজানের দুই মাস আগে থেকেই ঈদের প্রস্তুতি নিতে হয়। এবারও সেই প্রস্তুতি অনেকটাই নেওয়া আছে।