পাকিস্তানের জাতীয় নির্বাচনে বেসরকারি ফলাফলে নওয়াজ শরিফের চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছে ইমরান খান। তবে পিটিআই ছাড়া বাকি সব দলই কারচুপির অভিযোগে নির্বাচনের ফল প্রত্যাখ্যান করেছে।
পাকিস্তানের দৈনিক ডনের তথ্য অনুযায়ী, ইমরান খানের নেতৃত্বাধীন পাকিস্তান তেহরিক-ই ইনসাফ (পিটিআই) পেয়েছে ১১৩টি আসন। আর নওয়াজ শরিফের পাকিস্তান মুসলিম লীগ-নওয়াজ (পিএমএল-এন) পেয়েছে ৬৪ আসন। এছাড়া বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারির নেতৃত্বাধীন পাকিস্তান পিপলস পার্টি (পিপিপি) পেয়েছে ৪৩টি, এমকিউএম ৫টি এবং এমএমএ ৯টি আসন লাভ করেছে।
পিএমএল-এনের শীর্ষস্থানীয় নেতা ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের ভাই শাহবাজ শরিফ এক সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচনের ফল প্রত্যাখ্যান করে বলেছেন, নির্বাচনে নজিরবিহীন কারচুপি হয়েছে এবং ফলে জনগণের প্রকৃত রায়ের প্রতিফলন ঘটেনি। পাকিস্তান পিপলস পার্টির চেয়ারম্যান বিলাওয়াল ভুট্টো নির্বাচনের ফলকে ‘অযৌক্তিক ও অসঙ্গত’ বলে তা প্রত্যাখ্যান করেছেন। পাকিস্তানের অন্যান্য রাজনৈতিক দলও নির্বাচনের ফলের ব্যাপারে কঠোর আপত্তি জানিয়েছে।
তবে পাকিস্তানের প্রধান নির্বাচন কমিশনের প্রধান (সিইসি) মুহাম্মাদ রাজা খান এসব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে দাবি করেছেন, নির্বাচন শতভাগ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হয়েছে। তিনি বৃহস্পতিবার ভোর ৪টায় রাজধানী ইসলামাবাদে এক সংবাদ সম্মেলন করে এ ঘোষণা দেন।
অপরদিকে বুধবার সন্ধ্যার পর নির্বাচনের ফল ঘোষিত হতে শুরু করার পর পিটিআই দলের সমর্থকরা রাস্তায় নেমে উল্লাস প্রকাশ করেছে।